মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামের কৃতি সন্তান মো: শাহারুল ইসলাম। পিতা : মো: নিয়ামত আলী, মাতা: মোছা: সুফিয়া খাতুন।
তিনি ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ায় খুব মনোযোগী ছিলেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি শ্রেনীতে প্রথম হয়েই প্রাইমারীর গন্ডি শেষ করেন। তিনি সাহেবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে এস-এস-সি পাস করেন এবং গাংনী সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৩ সালে এইচ. এস. সি পাস করেন । এইচ. এস. সি পরিক্ষায় ব্যাবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে মেহেরপুর জেলায় সর্বোচ্চ জিপিএ পাওয়ায় রোভার মাসুম স্মৃতি সংসদ মেহেরপুর থেকে স্বর্ণপদকসহ অভিজ্ঞান পত্র অর্জন করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. বি.এ. (সম্মান) ও এম.বি.এ. (হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যাবস্থা)- ডিগ্রী অর্জন করেন।
২০১১ সালে সোনালী ব্যাংক পিএলসি তে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ব্যাংকিং চাকরীতে যোগদানের পর খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, গাংনী শাখা, মেহেরপুর এ প্রিন্সিপাল অফিসার হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি তার কর্মজীবনে দীর্ঘ ০৫ বছর ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যাংকের গ্রাহকদের সর্বপরি এলাকাবাসিকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে আসছেন।
তিনি তার কর্মের মধ্যে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সততা, দায়িত্ববোধ এবং শেখার আগ্রহ। তিনি সময়ানুবর্তী, গ্রাহকদের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ করতে পারেন এবং চাপের মধ্যেও মনোযোগ ধরে রেখে কাজ করার চেষ্টা করেন। দলগতভাবে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং সব সময় প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা মেনে কাজ করতে সচেষ্ট থাকেন। নতুন বিষয় দ্রুত শিখতে এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। তিনি সমস্যা বিশ্লেষণ করে যৌক্তিক সমাধান খুঁজে বের করে কার্য সম্পাদন করেন। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে তিনি গোপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা ও নৈতিকতা বজায় রাখার গুরুত্ব বুঝেন।
তিনি ব্যাংকিং বিধি-বিধান এবং দাপ্তরিক কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন এবং তার যথেষ্ট পেশাগত দক্ষতা রয়েছে। পারিবারিক জীবনে তিনি একজন সফল মানুষ, তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের পিতা। তিনি তার কর্মের পাশাপাশি গ্রামের মানুষের পাশে থাকেন এবং হতদরিদ্র মানুষের সুবিধা ও অসুবিধার কথা শোনেন এবং তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।